Android Mobile ব্যাবহারকারীদের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য

স্যামসাং ফোন কেনার জন্য সতর্কবার্তা

স্যামসাং ফোন বেশ জনপ্রিয়। দক্ষিণ কোরিয়ার এই প্রতিষ্ঠানের ফোনগুলোর কপি বা রেপ্লিকা ভার্সনও প্রচুর। নকল ও আসল স্যামসাং ফোন পাশাপাশি রাখলেও বোঝা আসল নলকের পার্থক্য বোঝা কঠিন। সাধারণ মোবাইলের দোকান থেকে ফোন কিনলেও প্রতারিত হওয়ার সুযোগ থাকে। তবে স্যামসাং ফোনের ব্র্যান্ড শপ থেকে ফোন কিনলে প্রতারিত হওয়ার সুযোগ কম।
আসল স্যামসাং ফোন চেনার কিছু কৌশল রয়েছে। কৌশল গুলো জানা থাকলে নকল সেট কিনে প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। জেনে নেয়া যাক স্যামসাংয়ের আসল ফোন চেনার উপায়ঃ
নকল সেটটিকে চেনার জন্য আপনার আসল সেটটি সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। এই ধারণা যে কোন ব্র্যান্ড শপ অথবা বন্ধু ও পরিচিতজনের কাছে থাকা স্যামসাং ফোন দেখে আপনি অভিজ্ঞতা নিতে পারেন। যে পার্থক্যগুলো আপনার চোখে পড়বেঃ
১. নকল মোবাইল সেটের ডিসপ্লের গ্লাস খুব নিম্নমানের হয়। ডিসপ্লের ওপর টাচ করলে ফোন আসল ফোনের মত রেসপন্স করে না।
২. নকল সেটে মোবাইল বডি থেকে স্ক্রিনের দুরত্ব বেশি থাকে। যার কারণে স্ক্রিন এবং বডির মধ্যে ফাকা জায়গা দেখা যায়। আসল সেটে এই ফাঁকা খুব কম থাকে।
৩. আসল সেটের মতো ডিসপ্লে উজ্জ্বল এবং ভাইব্রেন্ট হয় না।
৪. নকল সেটে অনেকগুলো সেন্সর কাজ করে না।
৫. মোবাইলের হোম বাটনটি আসল ফোনের মতো সঠিক জায়গাতে থাকে না। হোম বাটনের সাইজ ও একই হয় না।
৬. স্যামসাং এর লোগোটি মসৃণ এবং সমান্তরাল থাকে না। আসল ফোনে লোগোটি বেশ পাকাপোক্ত ভাবেই থাকে।
৭. আসল ফোনের আকার আর নকল ফোনের আকার সমান হয় না। যার কারণে পাশাপাশি সেট রেখে মাপ নিলে নকল সেট সহজে বোঝা যায়।
৮. হোম, পাওয়ার এবং ভলিউম বাটনগুলোর দুরত্ব আসল সেটের মতো কাছাকাছি হয় না।
৯. আসল ফোনের ব্যাক পার্ট খোলার পর যে ক্ষুদ্র যন্ত্রাংশ গুলো থাকে নকল ফোনের যন্ত্রাংশে ঠিক একই রকম হয় না।
১০. আসল ফোন আর নকল ফোনের ব্যাটারি ক্যাপাসিটি সমান হয় না।
এ ব্যাপারগুলো আউটলুকের ক্ষেত্রে পরীক্ষা করা যায়। সেটটি ব্যবহার করেও আসল না নকল তা বোঝার চেষ্টা করা যায়।
১. ফোনটিতে কোন গেম খেলুন। নকল সেটে গেমগুলো ধীরগতিতে চলবে। এবং বারবার আটকে যেতে চাইবে।
২. ফোনটির ক্যামেরা সেটিংস এ গিয়ে সবচেয়ে লো রেজুলেশনে ছবি তুলে দেখুন। নকল সেট হলে ছবি ঝাপসা আসবে। আর আসল সেটে ছবিটির পার্থক্য বোঝা যাবে না।
৩. *#০*# চাপুন। সেটের বিভিন্ন ফিচার টেস্টের অপশন আসবে। এবার সেন্সর লেখা বক্সটিতে টাচ করুন। এবার ফোনটিকে স্পর্শ না করে ফোনটির ওপর আপনার হাত রাখুন। যদি সেটে ভাইব্রেশন অনুভূত হয়, তাহলে ফোনটি আসল। নকল সেটে সেন্সরে ভাইব্রেশন কাজ করবে না।
৪. সেটের অভ্যন্তরীণ মেমোরি চেক করুন। ১৬ জিবি, ৩২ জিবি এবং ৬৪ জিবি ফোনগুলোতে ব্যবহারকারীর ব্যবহারের জন্য ৯ জিবি, ২৫জিবি এবং ৫৭ জিবি থাকে। যদি এর কম বা বেশি থাকে, তাহলে বুঝবেন সেটটি আসল নয়।
৫. ডাটা ক্যাবল দিয়ে ফোনটি পিসিতে সংযুক্ত করুন। স্যামসাং কিস নামে একটি সফটওয়্যার ডাউনলোড করে এই সফটওয়্যার দিয়ে ফোনটিতে প্রবেশ করলে মডেল নম্বর এবং বিল্ট ইন মেমোরি প্রদর্শন করবে। এক্ষেত্রে ফোনের মডেল দেখে আপনি যাচাই করে নিতে পারবেন।
এছাড়াও বাড়তি কিছু সতর্কতার কথা চিন্তা করতে পারেন।
১. স্যামসাং অনুমোদিত আউটলেট থেকে মোবাইল কিনুন।
২. ওয়ারেন্টি কার্ড চেক করে নিন। নতুন ফোন কিনলে আপনি নিজের মোবাইলেও ওয়ারেন্টি সংক্রান্ত একটি বার্তা পাবেন।
৩. নতুন ভার্সনের মোবাইলে অতিরিক্ত ডিসকাউন্ট থাকলে অফারের ব্যাপারে নিশ্চিত হোন।
৪. কোন ফোন কেনার আগে ফোনটির রিভিউ ইউটিউবে দেখে নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে নতুন মোবাইল কেনার ক্ষেত্রে ফিচারগুলো পরীক্ষা করে নিতে সুবিধা হবে।
৫. স্যামসাং অনুমোদিত সার্ভিস সেন্টারগুলোতে মোবাইল প্রদর্শন করা থাকে। কেনার আগে ফোনটি প্রদর্শনী থেকে দেখে আপনার চাহিদার সাথে মিলিয়ে তারপর মোবাইল কেনার সিদ্ধান্ত নিন।
এবার আর স্যামসাং মোবাইল কেনায় নেই কোন ভয়।
নকল স্যামসাং ফোন চিনবেন যেভাবে

>h5>টিপস ১
☞ পর্দার চারপাশে একটি কালো আকৃতির খালি অংশ থাকে।
☞ আসল স্মার্টফোনের হোম বাটনটি পর্দার নিচে খুব কাছাকাছি থাকবে। নকলগুলোতে একটু নিচে থাকে, যা খেয়াল না করলে বোঝা যায় না।
☞ নকল ফোনে স্যামসাংয়ের লোগোতে নখ বা অন্য কিছু দিয়ে আঁচড় কাটলে সেটি উঠে যায়।
☞ নকল স্মার্টফোনের প্যাকেটের সঙ্গে সাধারণত একটি ফ্লিপ কভার বিনামূল্যে দেয়া হয়, যা আসল ফোনের সঙ্গে থাকে না।
টিপস ২

☞ ওপরের পদ্ধতিগুলো প্রয়োগ করেও যদি বুঝতে না পারেন যে সেটি আসল না নকল ফোন সে ক্ষেত্রে ‘এলসিডি টেস্ট’ করে নিতে পারেন।
☞ ফোনটিতে *#০*# চাপুন। ফোন আসল হলে সঙ্গে সঙ্গে পর্দায় এলসিডি টেস্ট দেখা যাবে। নকল সেটে এটি কখনোই আসবে না।
☞ আসল ফোনে *#১২৩৪# চাপলে ভার্সন এপি, সিপি ও সিএসসি সিরিয়াল নম্বর, *#০ *# চাপলে জেনারেল টেস্ট মোড এবং *# ০২২৮# দিয়ে ব্যাটারি স্ট্যাটাস দেখা যাবে। নকল ফোনে এসব ‘কোড’ কাজ করে না।
টিপস ৩

১. অরজিনাল নাকি ক্লোন যে ফোনটি চেক করতে চান সেটি হাতে নিন এবং ডায়াল করুন *#0*#
২. তারপর কিছু বাটন দেখতে পাবেন , সেখান থেকে সেন্সর (Sensor) লিখাতে টাচ করুন
৩. এবার উপরে ডান পাশে ইমেজ টেস্ট (Image Text ) লিখাটাতে টাচ করুন
৪. টাচ করার পর যদি পিচ্ছি কুকুর ছানার মতো ছবি আসে (ছবিতে যেটা দেওয়া আছে ) তাহলে এটা জেনুইন
৫. আর যদি ফুল, প্রকৃতি কিংবা জেব্রা আসে তাহলে বুঝতে হবে এটা ক্লোন ডিভাইস
তাহলে আর দেরী কেন এখনই চেক করুন আপনার হাতে থাকা স্মার্টফোনটি

ইউএসবি টেথারিং
ইন্টারনেট সংযোগ চালু

প্রথমে অবশ্যই আপনার মোবাইল সেটে ইন্টারনেট চালু থাকতে হবে। এটি পরীক্ষা করার জন্য মোবাইলের ব্রাউজার থেকে কোনো ওয়েবসাইট ভিজিট করার চেষ্টা করে দেখতে পারেন। যদি ইন্টারনেট সংযোগ পাওয়া যায়, তবেই কেবল আপনি তা শেয়ার করতে পারবেন। অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ইন্টারনেট সংযোগ কনফিগার করার পদ্ধতি জানতে এই পোস্টটি দেখুন।
ডেটা ক্যাবল কানেকশন
ইউএসবি ডেটা ক্যাবলটি কম্পিউটার ও অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের সঙ্গে সংযোগ দিন। সাধারণত ইউএসবি ডিভাইস সংযোগ দেয়ার পর মেমোরি কার্ডটি স্টোরেজ হিসেবে কানেক্ট হয়ে থাকে। যদিও এতে আপনার কাজে সমস্যা হবে না, কিন্তু ভালো হয় মেমোরি কার্ডটি পিসি থেকে Safely remove করে ফেললে। অর্থাৎ, টাস্কবার থেকে ইউএসবি আইকনে রাইট ক্লিক করে মেমোরি স্টোরেজটি সেফলি রিমুভ করার কমান্ড দিন। এটা পেনড্রাইভ খুলে ফেলার আগে সতর্কতার জন্য যা করা হয় ঠিক তাই।
ইউএসবি টেথারিং
এবার হচ্ছে আসল কাজ। আপনার ডিভাইসের সেটিংস-এ যান। সাধারণত হোমস্ক্রিন থেকে মেনু বাটনে প্রেস করলে সেটিংস অপশনটি আসে। এবার সেটিংস থেকে Wireless & networks -> Tethering & portable hotspot এ ক্লিক করুন।
ইউএসবি ক্যাবল সংযোগ করার পর ইউএসবি টেথারিং চালু করা হয়েছে। ফলে ফোনটির ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করা যাচ্ছে কম্পিউটার থেকেই।
সাধারণ অবস্থায় ইউএসবি টেথারিং অপশনটি আনচেকড থাকবে। কিন্তু ইউএসবি কম্পিউটারের সঙ্গে সংযোগ দেয়ার পর এতে ক্লিক করা যাবে, এর আগ পর্যন্ত চেকবক্সটি কাজ করবে না। এই চেকবক্সে টিক দিয়ে দিলেই স্ট্যাটাসবার/নোটিফিকেশন বারে ইউএসবি টেথারিং-এর আইকনটি চলে আসবে
এই আইকনটি আসার কয়েক মিনিটের মধ্যেই আপনার কম্পিউটার ইন্টারনেটের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে যাবে। আর কোনো বাড়তি সেটিংসের ঝামেলা ছাড়াই কম্পিউটার থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন।
এই পদ্ধতি ব্যবহার করে উইন্ডোজ ৭ এবং লিনাক্সমিন্ট ১২ এই দুই অপারেটিং সিস্টেমে কোনো বাড়তি সেটিংস বা কনফিগার করা ছাড়াই ইন্টারনেট ব্যবহার করা গেছে। উল্লেখ্য, টেথারিং করার সময় কম্পিউটারের অন্যান্য ইন্টারনেট সংযোগ (যেমন ইউএসবি মডেম বা ল্যান ইন্টারনেট) বন্ধ রাখা হয়েছে।
অ্যান্ড্রয়েডে ওয়াই-ফাই হটস্পট
এর আগে কখনও অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসকে ওয়াই-ফাই হটস্পট হিসেবে ব্যবহার না করা হলে প্রথমবার Port. Wi-Fi hotspot settings-এ যেতে হবে। এখান থেকে আপনি আপনার হটস্পটের নাম, পাসওয়ার্ড ইত্যাদি সেটিংস ঠিক করে নিতে পারবেন। উল্লেখ্য, সাধারণ অবস্থায় ওয়াই-ফাই হটস্পট উন্মুক্ত অবস্থায় থাকে। অর্থাৎ, আপনার ডিভাইসে ইন্টারনেট চালু থাকা অবস্থায় যদি এই স্ক্রিনে Portable Wi-Fi hotspot চেকবক্সে টিক দিয়ে দেন, তাহলেই ওয়াই-ফাই কানেকশন পেয়ে যাবে আপনার ল্যাপটপ, অন্যান্য স্মার্টফোন কিংবা ওয়াই-ফাই কার্ড সংযুক্ত কম্পিউটার।
কিন্তু এক্ষেত্রে আপনার হটস্পটটি হবে ওপেন। অর্থাৎ, আপনার এলাকায় অন্যরাও কোনো পাসওয়ার্ড ছাড়াই এই হটস্পটে কানেক্ট হতে পারবেন। ফলে, আপনার ফোনের ব্যান্ডউইথ চুরি হতে থাকবে। তাই ওয়াই-ফাই হটস্পট চালু করার আগে অবশ্যই তাতে পাসওয়ার্ড দিয়ে নেবেন। আর পাসওয়ার্ড দেয়ার জন্য Port. Wi-Fi hotspot settings -> Configure Wi-Fi hotspot-এ।
সিকিউরিটি ড্রপ-ডাউন লিস্টে ওপেন ও WPA2 PSK এই দুই ধরনের চয়েস পাবেন। ওপেন হচ্ছে কোনো পাসওয়ার্ড ছাড়াই হটস্পটে কানেক্ট হওয়ার পদ্ধতি। আর WPA2 PSK হচ্ছে সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি। তাই এখানে এটি সিলেক্ট করুন। পাসওয়ার্ড ফিল্ডে ন্যূনতম ৮ অক্ষর বা বর্ণবিশিষ্ট পাসওয়ার্ড দিতে হবে। আপনার নিরাপত্তার জন্যই বড় হাতের ও ছোট হাতের অক্ষর এবং সংখ্যা মিলিয়ে দিতে হবে। নইলে পাসওয়ার্ড এক্সেপ্ট নাও করতে পারে। পাসওয়ার্ড ঠিকভাবে লিখেছেন কি না তা দেখার জন্য নিচের Show password চেকবক্সে একবার টিক দিয়ে দেখে নিতে পারেন। এবার সেইভ বাটনে প্রেস করুন। এর মাধ্যমে আপনি আপনার ডিভাইসে ওয়াই-ফাই হটস্পট কনফিগার করলেন। এবার হটস্পট চালু করতে হলে আগের পদ্ধতিতে সেটিংস থেকে Wireless & networks -> Tethering & portable hotspot -> Portable Wi-Fi hotspot চেকবক্সে টিক দিতে হবে। চেকবক্সে টিক দেয়া হলেই ওয়াই-ফাই হটস্পটটি চালু হবে ও নোটিফিকেশন বারে আইকন দেখা যাবে। এবার আপনি আপনার অন্যান্য ডিভাইস বা ল্যাপটপ থেকে মোবাইলের ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করতে পারবেন।
কেন মোবাইল ওয়াই-ফাই হটস্পট
অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগতে পারে, কেন এই ওয়াই-ফাই হটস্পট? সাধারণত মোবাইলে সবাই লিমিটেড ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকেন। এই লিমিটেড ইন্টারনেট কম্পিউটারে শেয়ার করার দরকার কেন হবে? এর উত্তরটা আসলে সহজ। অ্যান্ড্রয়েডের হটস্পট সবচেয়ে বেশি কাজে লাগে ইমার্জেন্সি বা গুরুত্বপূর্ণ সময়ে। ধরুন আপনি জরুরি কোনো কাজ করছেন এমন সময়ে আপনার ব্রডব্যান্ড বা ওয়াইম্যাক্সের ইন্টারনেট চলে গেল কিংবা ল্যাপটপে কাজ করার সময় কারেন্ট সংযোগ লাগে এমন মডেমটি লোডশেডিং-এর কারণে বন্ধ হয়ে গেল। তখন সেই গুরুত্বপূর্ণ কাজ সারতে ওয়াই-ফাই হটস্পট কাজে লাগবে। ওয়াই-ফাই পদ্ধতি ছাড়াও ইউএসবি ক্যাবল দিয়েও ইন্টারনেট পিসিতে শেয়ার করা যায়, কিন্তু সবসময় ক্যাবল আপনার কাছে নাও থাকতে পারে, তাই না?
নিরাপত্তা নিয়ে একটি কথা

ওয়াই-ফাই হটস্পটের পাসওয়ার্ড আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোন থেকে যে কেউই দেখতে পারেন। আপনার পাশের বাসার বন্ধুটি যদি সুযোগ মতো আপনার ফোন থেকে পাসওয়ার্ডটি দেখে নেন, তাহলে কিন্তু আপনার অজান্তেই আপনার অ্যান্ড্রয়েডের হটস্পট চালু থাকা অবস্থায় তিনি ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। তাই আশেপাশে বন্ধু থাকলে প্রতিবার পাসওয়ার্ড বদলে নিতে পারেন।

স্মার্টফোনের জন্য কোন microSD কার্ডটি বেছে নিবেন আপনি
অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন কেনার পর সর্বপ্রথম আমাদের যে দিকটা নিয়ে ভাবা উচিত তা হল, স্মার্টফোনটি আমরা ঠিক কিভাবে ব্যবহার করবো এবং কি কি করলে আমরা স্মার্টফোন থেকে সবচেয়ে ভাল সার্ভিস পাব। আর এক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল মাইক্রো এসডি কার্ড, যেখানে আপনি আপনার স্মার্টফোনের প্রয়োজনীয় সকল ডাটা জমা রাখেন। তো চলুন জেনে নিই SD কার্ড সম্পর্কিত কিছু তথ্য…
SD এর পূর্ণ রুপ হল Secure Digital. Secure digital বা SD হল এক ধরনের মেমোরি কার্ড যা বিভিন্ন পোর্টেবল ডিভাইস যেমন মবিলে,ডিজিটাল ক্যামেরা এবং ট্যাবলেট পিসিতে ব্যবহার করা হয়। মেমোরী কার্ডের এই ফরম্যাটটি আবিস্কার করেছিল Panasonic. পরবর্তীতে ২০০০ সালে SanDisk এবং Toshiba Corporation এর যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত SD Card Association (SDA) এর মাধ্যমে এই ফরম্যাট কে আরো ডেভেলপ করা হয়।
প্রায় ২০০১ সালের দিকে মানুষের হাতে হাতে পৌঁছে যায় এই SD কার্ড, যা ডিজিটাল ক্যামেরা স্মার্টফোন, ল্যাপটপ এবং গেম কনসোলে ব্যাপক হারে ব্যবহার হয়। এর ছোট আকার এবং স্টোরেজ কোয়ালিটির কারণে এটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। এক্ষেত্রে SD কার্ডের বিভিন্ন মডেল রয়েছে যেগুলোকে ডাটা ট্রান্সফার স্পিডের উপর ভিত্তি করে দুই ভাগে ভাগ করা যায়, নরমাল স্পিড এবং হাই স্পিড এস ডি কার্ড। হাই স্পিড এস ডি কার গুলো নরমাল স্পিড এস ডি কার্ডের তুলনায় দ্রুত গতিতে ডাটা ট্রান্সফার করে থাকে। এখন চলুন দেখে আসি micro SD, SDHC এবং SDXC ফরম্যাট গুলোর মধ্যে কোনটি এখনকার স্মার্টফোন গুলোর সাথে কম্প্যাটিবল…
MicroSD cards:
microSD কার্ড হল সবচেয়ে ছোট আকৃতির (15 x 11 x 1 mm) এসডি কার্ড যা সাধারণত স্মার্টফোন এবং পোর্টেবল ডিভাইস গুলোতে ব্যবহার হয়ে থাকে। MicroSD কার্ডের ধারণ ক্ষমতা সাধারণত 64MB থেকে 2GB হয়ে থাকে। এই স্বল্প ধারণ ক্ষমতার কারণে স্মার্টফোনের ব্যবহার বাড়ার সাথে সাথে microSD কার্ডের ব্যবহার কমছে। এক্ষেত্রে একটি বিষয় লক্ষণীয় যে আমরা অনেকেই ভুলবশত 4GB বা তার বেশি ধারণ ক্ষমতার SD কার্ড গুলোকেও MicroSD কার্ড বলে থাকি। কিন্তু 4GB বা তার বেশি ধারণ ক্ষমতার SD কার্ড গুলো microSD নয় বরং microSDHC বা SDHC কার্ড।
SDHC Card:
SDHC কার্ডের HC এর মানে হল High Capacity. microSD কার্ডের তুলনায় SDHC কার্ডে আপনি বড় আকারের ডাটা বা ফাইল স্টোর করতে পারবেন। SDHC কার্ডের ডাটা ধারণ ক্ষমতা সাধারণত 4 GB to 64 GB পর্যন্ত হয়ে থাকে। বর্তমানে সর্বাধিক ব্যবহৃত এস ডি কার্ড ফরম্যাট হল microSDHC। কারণ বর্তমান স্মার্টফোন গুলোতে ডাটা স্টোর করার জন্য 2GB বা তার কম ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন SD কার্ড যথেষ্ট নয়।
SDXC Card:
SDXC কার্ডের XC এর মানে হল Extended Capacity. SDHC কার্ডের তুলনায় SDXC কার্ডে আপনি আরো বড় আকারের ডাটা বা ফাইল স্টোর করতে পারবেন। SDXC কার্ডের ডাটা ধারণ ক্ষমতা সাধারণত 64 GB to 2 TB বা 2000 GB পর্যন্ত হয়ে থাকে।
SD Card Speed:
microSD এবং SDHC কার্ড গুলোর উপরে সাধারণত একটি সংখ্যা বা নাম্বার দেয়া থাকে। যেমন উপরের ছবিতে যে কার্ডটি দেখা যাচ্ছে তার উপরে আমরা 10 দেখতে পাচ্ছি। এই সংখ্যা বা নাম্বার দ্বারা কার্ডের স্পিড ক্লাস বা ডাটা ট্রান্সফার স্পিড নির্দেশ করা হয়। এক্ষেত্রে ক্লাস 10 এর মানে হল ডাটা ট্রান্সফার স্পিড প্রতি সেকেন্ডে 10MB. এই নাম্বার বা সংখ্যা গুলো সাধারণত 2-10 পর্যন্ত বিভিন্ন জোড় সংখ্যা হয়ে থাকে। স্মার্টফোনের জন্য সাধারণত class 6 এর এসডি কার্ড ব্যবহার করাই ভাল। ভিডিও রেকর্ডিং এর ধরন অনুযায়ী কার্ডের ক্লাস নিচে দিলাম…
Class 2 for normal video recording
Class 4 and 6 for high-definition video (HD) to Full HD video recording,
Class 10 for Full HD video recording and consecutive recording of HD stills
UHS Speed Grade 1 for real-time broadcasts and large HD video files
UHS Speed Grade 3 for 4K video files
SD_class_table
এসডি কার্ড কিভাবে ব্যবহার করবেনঃ
অনেকেই এসডি কার্ডের ব্যবহার সম্পর্কে জানেন তারপরেও বলছি, স্মার্টফোন কেনার পর স্মার্টফোনের কার্ড স্লটে সাবধানতার সাথে এসডি কার্ডটি প্রবেশ করান এবং ডিভাইস এসডি কার্ডটি শো করা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তবে সবসময় এসডি কার্ড খোলা বা লাগানোর পূর্বে ডিভাইস বন্ধ করে নেয়া ভাল। কত GB এসডি কার্ড কিনবেন সে সম্পর্কে আমার কিছু বলার নেই, কারণ এটি সম্পূর্ণ আপনার প্রয়োজনীয়তার উপর নির্ভর করে। আর ক্লাস সম্পর্কে আমি আগেই বলেছি, ক্লাস 6 কার্ড ব্যবহার করা ভাল, এর চেয়ে বেশি ক্লাসের এসডি কার্ড ব্যবহার করলে আরো ভাল। সর্বশেষ কথাটি হল এসডি কার্ড ব্রান্ড। আমার মতে SanDisk, Kingston অথবা PNY এর এসডি কার্ড কেনাই ভাল। তবে সবচেয়ে ভাল হয় যদি Sandisk ইউজ করেন।

ওটিজি (OTG) নিয়ে আলোচনা
ওটিজি (OTG) সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি, আবার অনেকেই জানি না। তবে যারা এখনো OTG সম্পর্কে জানেন না, তাদের জন্য এই পোস্টটি । তাহলে চলুন ওটিজি (OTG) সম্পর্কে বাংলায় বিস্তারিত জেনে নিই। আজকের পোষ্টে যেসকল বিষয়ে জানতে পারবেনঃ
=> ওটিজি (OTG) কি?
=> কিভাবে ওটিজি (OTG) ব্যবহার করবেন?
=> ওটিজি (OTG) এর মাধ্যমে করে যা যা করতে পারবেন।
ওটিজি (OTG)
OTG শব্দের Full Meaning হচ্ছে “On The Go”। দুটি OTG সাপোর্টেড ডিভাইসের একটিকে অন্যটির সাথে যুক্ত করে আপনি অনেক ধরণের কাজ করতে পারবেন। আমরা যেমন PC (Personal Computer)কে ইউএসবি (USB) হোস্ট (Host) হিসেবে ব্যবহার করে পিসির সাথে বিভিন্ন ফ্ল্যাশ ড্রাইভ [Hard Disk, Pen Drive, Card Reader, Modem ইত্যাদি] কানেক্ট করে থাকি। ঠিক তেমনিভাবেই Android ফোনেও OTG মাধ্যমে বিভিন্ন ফ্ল্যাশ ড্রাইভের সাথে যুক্ত করতে পারবেন ।
বর্তমানে OTG Supported Android ডিভাইসের সংখ্যা বেড়েই চলছে। ফলে এখন PC (Personal Computer) ছাড়াই অনেক কাজ করা যাচ্ছে। যেমনঃ- OTG সাপোর্ট থাকার কারণে আপনি PC ছাড়াই আপনার ক্যামেরার ছবিগুলো খুব সহজে প্রিন্টারে পাঠিয়ে সেটা প্রিন্ট করতে পারবেন। এছাড়া Pen-Drive, Hard-Disk, Keybord, মাউসসহ অন্যান্য USB Sticks এখন খুব সহজেই স্মার্টফোনের সাথে যুক্ত করা যায়। যেহেতু এই OTG এর সুবিধা অনেক, তাই ফোন কেনার সময় ডিভাইসের Specifications দেখে আপনি নিশ্চিত হয়ে নিতে পারেন যে, ডিভাইসটি OTG Supported কিনা।
যেভাবে OTG ব্যবহার করবেনঃ
হার্ডওয়্যারের উপর ভিত্তি করে OTG এর বিভিন্ন ব্যবহার রয়েছে। যেমনঃ স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেটের ক্ষেত্রে OTG সাপোর্ট থাকলে আপনি আপনার ডিভাইসের সাথে কী-বোর্ড,মাউস,হার্ডড্রাইভ এবং ফ্ল্যাশ ড্রাইভ ইত্যাদি যুক্ত করতে পারবেন। কিন্তু কথা হল সব স্মার্টফোন বা ট্যাবলেট কিন্তু OTG সাপোর্টেড নয়। সেক্ষেত্রে আপনার ডিভাইসটি OTG সাপোর্টেড কিনা তা জানার জন্য ডিভাইসটির স্পেসিফিকেশন চেক করাই যথেষ্ট। এছাড়া আপনি "USB Host Diagnostics" অ্যাপের মাধ্যমেও আপনার ডিভাইসের OTG কম্প্যাবিলিটি সম্পর্কে জানতে পারবেন।
শুধুমাত্র OTG সাপোর্ট থাকলেই হবে না। এই সুবিধাটি ব্যবহার করার জন্য, একটি ভাল OTG ক্যাবলের দরকার। আপনি এই OTG ক্যাবল বিভিন্ন স্মার্টফোন এক্সেসোরিসের দোকানে পাবেন। এখানে আরেকটি বিষয় বলে রাখা প্রয়োজন যে, আপনি যদি আপনার স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটের সাথে কোন প্রকার স্টোরেজ ডিভাইস (যেমনঃ হার্ডড্রাইভ বা ফ্ল্যাশড্রাইভ) যুক্ত করতে চান তাহলে আপনাকে নিচের অ্যাপ গুলো ব্যবহার করতে হতে পারে।
● USB Host Controller
● Total Commander File Manager
OTG এর মাধ্যমে করে যা যা করতে পারবেনঃ
USB OTG এর সাহায্যে আপনি আপনার স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটের সাথে বিভিন্ন পেরিফেরাল ডিভাইস যেমন:- Mouse,Keyboard ইত্যাদি যুক্ত করে, আপনার ডিভাইসটি নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন। তবে এখানে বলা প্রয়োজন যে, মাল্টিপল বাটন বা ফাংশন সমৃদ্ধ মাউসগুলো কাজ নাও করতে পারে। এছাড়া OTG এর মাধ্যমে আপনি আপনার ডিভাইসের সাথে বিভিন্ন স্টোরেজ ডিভাইস,যেমন- Hard-Disk, Pen-Drive, Card Reader ইত্যাদি যুক্ত করতে পারবেন। শুধু তাই এই এক্সটারনাল স্টোরেজ ডিভাইস গুলো থেকে Audio, Video Play করতে পারবেন। তাছাড়াও ডিভাইসে ফাইল ম্যানেজার ব্যবহার করে, এই স্টোরেজ ডিভাইসগুলো থেকে ডাটা আদান প্রদান করতে তো পারবেনই।

আপনারওটিজি (OTG) সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি, আবার অনেকেই জানি না। তবে যারা এখনো OTG সম্পর্কে জানেন না, তাদের জন্য এই পোস্টটি । তাহলে চলুন ওটিজি (OTG) সম্পর্কে বাংলায় বিস্তারিত জেনে নিই। আজকের পোষ্টে যেসকল বিষয়ে জানতে পারবেনঃ
=> ওটিজি (OTG) কি?
=> কিভাবে ওটিজি (OTG) ব্যবহার করবেন?
=> ওটিজি (OTG) এর মাধ্যমে করে যা যা করতে পারবেন।

এন্ডয়েড মোবাইল দিয়ে পিসিতে নেট চালান । (মডেমের কোনপ্রয়োজন  নাই )

আজকে যে টিপস টি শেয়ার করতে যাচ্ছি সেটা আমরা যারা এন্ডয়েড মোবাইল ও কম্পিউটার ইউজার তাদের জন্য খুব গুরুত্ব পূণ্য ।
নিচে আপনাদের জন্য ডিটেইল ভাবে তুলে ধরা হলো কিভাবে আপনি আপনার এন্ডয়েড মোবাইল কে মডেম হিসেবে ইউজ করুন।
১। প্রথমে আপনার ডাটা ক্যাবেলটি দিয়ে আপনার পিসিতে মোবাইল সংযোগ দিন ।
২। এবার আপনার মোবাইল এর ডাটা কানেক্ট দিন ।
৩। তার পরে আপনার সেটিং এ যান ।
৪। এই মেনুতে যান More > Tethering & Protable Hotspot
৫। WLAN Hotspot অন করুন এবং USB Tethering অন করুন ।
দেখবেন কিছুক্ষণের ভিতরে আপনার পিসিতে নেট কানেক্ট হয়ে গেছে । এবার আপনি ব্রওসিং ও ডাউনলোড করতে পারেন ।

মোবাইলের লক খোলার কার্যকরী উপায়
মেথড ১
এই পদ্ধতিতে আপনি আপনার গুগল একাউন্ট দিতে Pattern Lock রিকভার করতে পারবেন। এজন্য আপনার ডিভাইস এ মাস্ট এবং মাস্ট ইন্টারনেট কানেকশন থাকতে হবে। এই পধতিতে রিকভার করার জন্যে ৫ বার ভুল প্যাটার্ন দিন তারপর একটি অপশন আসবে এরকম–  Forgot Pattern? আসলে এটার ভিতর যান এবং আপনার জিমেইল একাউন্ট এর আইডি পাসওয়ার্ড দিয়ে লগিন করুন। তারপর আপনাকে নতুন প্যাটার্ন দিতে বলবে এবং দিয়ে ফেলুন। এটি খুব সহজ মেথড এবং খুব দ্রুত আপনি প্যাটার্ন লক আনলক/রিকভার করতে পারবেন তবে ইন্টারনেট কানেকশন থাকতে হবে।
মেথড ২
আপনার ডিভাইস এ যদি ইন্টারনেট কানেকশন না থাকে তবে কি করবেন?? তখন করার কিছু নেই আপনার ডিভাইসটি ফ্যাক্টরি রিসেট দিতে হবে এই পদ্ধতিতে। তবে ডিভাইস এর ভিতর থেকে আমরা রিসেট করতে পারি অনেকেই কিন্তু রিকভারি মুড থেকে অনেকেই পারি না এমনকি জানি ও না কিভাবে করতে হয়। তবে বলে রাখি রিসেট করার পর আপনার ডিভাইস এর সকল অ্যাপ/ডাটা মুছে যাবে এবং ডিভাইস নতুন ভাবে রিসেট হয়ে আসবে যেমনটি মার্কেট থেকে কিনেছিলেন। সুতরাং করতে চাইলে নিচের পদ্ধতি দেখুন…
এজন্য প্রথমেই আপনার ডিভাইসটি বন্ধ করুন। কিভাবে বন্ধ অথবা সুইচ অফ করতে হয় তা নিশ্চয় বলে দিতে হবে না। এখন  Volume
up+power button অথবা Down+power button একসাথে প্রেস করে সেট অন করুণ।তবে ভিবিন্য কোম্পানির ডিভাইস এ এই পদ্ধতি ভিবিন্য রকম হয়ে থাকে তাই এটা কাজ না করলে নিচের যেকোনো একটা কাজ করবে…
১. Volume Down + Volume Up + Power button.
২. Volume Down + Power button.
৩. Volume Up + Power button.
৪. Volume Up + Home + Power button.
৫. Volume Up + Camera button.
৬. Home + Camera button.
৭. Home + Power button
উপরের যেকোনো একটা কম্বিনেশন কাজ করবেই মাস্ট আপনার ডিভাইস এ । তারপর আপনি রিকভারি মুড এ প্রবেশ করবেন এই পদ্ধতিতে। প্রবেশ করার পর Wipe Data / Factory Reset নামক একটা অপশন দেখতে পারবেন এবং অপশন টি সিলেক্ট করার জন্যে ডিভাইস এর ভলিউম বাটন ইউজ করুন উপর নিচে নামতে এবং পাওয়ার বাটন দিয়ে সিলেক্ট অথবা ওকে চাপতে পারবেন। এই অপশন টি সিলেক্ট করার পর আপনার কাছে কনফারমেশন পারমিশন চাওয়া হবে এবং ইয়েস দিয়ে দিন তাহলে আপনার ডিভাইস টি ফ্যাক্টরি রিসেট হবে এবং নতুন করে ডিভাইস চালু হবে এতে করে আপনার দেয়া পূর্বের সকল পাসওয়ার্ড মুছে যাবে এমনকি সব ডাটা ও ।
মেথড ৩
স্ক্রিন লক বাইপাস নামক একটি মেথড আছে যা Android 2.3.x অথবা তার নিম্ন ভার্সন এ কাজ করে এবং তার সাহায্যে পিসি থেকে মাত্র কয়েক ক্লিক এ আপনি প্যাটার্ন লক আউট করে দিতে পারবেন। যদিও এখন সবাই এর চেয়ে বেশি ভার্সন এর ডিভাইস ইউজ করেন তবুও কেউ যদি থেকে থাকেন তার জন্যে এই পদ্ধতি দিলাম। এতে করে আপনার ডিভাইস রুট করা থাকতে হবে না।  এজন্য যা করতে হবে…
 gingerbread_lock_bypass_droidiser.zip ফাইল টি আপনার পিসিতে ডাউনলোড করুন তারপর Winzip, Winrar, 7ZIP যেটাই থাকে তার সাহায্যে  Extract করুন ফাইলটি।
আপনার ডিভাইস এর জন্যে প্রয়োজনীয় ড্রাইভার ইন্সটল করে নিন পিসি তে। ড্রাইভার এর লিংক দিতে পারলাম না কারন একেকজন একেকরকম কোম্পানির ডিভাইস ইউজ করেন সুতরাং ড্রাইভার ও ভিন্য।
ড্রাইভার ইন্সটল করার পর অথবা করা থাকলে আপনার ডিভাইসটি পিসি তে কানেক্ট করুন।
একটু আগে যে ফাইলটি ডাউনলোড ও এক্সট্রাক্ট করেছেন তার ভিতর প্রবেশ করুন।
এবার  Double_Click_Me.bat ফাইলটি ডাবল ক্লিক করে রান করুন এবং  enter 1 to continue in the command window
সব ঠিকঠাক মতো থাকলে আপনার ডিভাইসটি আনলক করার ট্রাই করুন এবং প্যাটার্ন লক টি বাইপাস হয়ে যাবে।
মেথড ৪
এবার কথা হল আপনার ডিভাইস নতুন ভার্সন এর সুতরাং মেথড ৩ কাজ করবে না। সুতরাং আপনি কিভাবে কি করবেন ? তাই আপনার জন্যে মেথড ৪ দিচ্ছি। এই পদ্ধতিতে আপনার ডিভাইস এর যেকোনো পাসওয়ার্ড অথবা পিন/প্যাটার্ন লক আউট কিংবা বাইপাস করতে পারবেন তবে ডিভাইসটি মাস্ট রুট করা থাকতে হবে। ধরে নিলাম রুট করা আছে তাহলে নিচের স্টেপ অনুসরন করুন…
 Reset Password Tool by Droidiser.zip ফাইল টি আপনার পিসিতে ডাউনলোড করুন তারপর Winzip, Winrar, 7ZIP যেটাই থাকে তার সাহায্যে  Extract করুন ফাইলটি।
আপনার ডিভাইস এর জন্যে প্রয়োজনীয় ড্রাইভার ইন্সটল করে নিন পিসি তে। ড্রাইভার এর লিংক দিতে পারলাম না কারন একেকজন একেকরকম কোম্পানির ডিভাইস ইউজ করেন সুতরাং ড্রাইভার ও ভিন্য।
ড্রাইভার ইন্সটল করার পর অথবা করা থাকলে আপনার ডিভাইসটি পিসি তে কানেক্ট করুন।
একটু আগে যে ফাইলটি ডাউনলোড ও এক্সট্রাক্ট করেছেন তার ভিতর প্রবেশ করুন।
এবার Double_Click_Me.bat ফাইলটি ডাবল ক্লিক করে রান করুন এবং enter 1 to continue in the command window
সব ঠিকঠাক মতো থাকলে আপনার ডিভাইসটি আনলক করার ট্রাই করুন এবং ডিভাইস এ থাকা সকল প্রকার পাসওয়ার্ড পিন কিংবা প্যাটার্ন লক বাইপাস হয়ে যাবে।
মেথড ৫
ধরে নিলাম মেথড ৪ পর্যন্ত কোনটাই কাজ করলো না। তাহলে আপনার জন্যে মেথড ৫ এবং এটা ৫ নাম্বার এ দিলাম কারন একটু কঠিন এবং রিস্কি। তাহলে নিচের স্টেপ অনুসরন করুন…
প্রথমেই Aroma File Manager ডাউনলোড করে নিন পিসিতে। ডাউনলোড লিংক- https://www.dropbox.com/s/zzsnzj78jg581gc/aromafilemanager.80.zip
এবার পিসি থেকে ফাইলটি আপনার এসডি অথবা মেমরি কার্ড এর রুট ফোল্ডার এ কপি করুন অথবা রাখুন।
এবার রিকভারি মুড এ প্রবেশ করুন। কিভাবে করতে হবে তা মেথড ১ এ দেখিয়েছি।
ধরে নিলাম রিকভারি মুড এ প্রবেশ করেছেন। এবার Aroma File Manager ফ্ল্যাশ করুন। কিভাবে ফ্ল্যাশ করবেন? রিকভারি মুড এ দেখুন ফ্ল্যাশ  ফ্রম এসডি কার্ড নামক অপশন আছে তাতে প্রবেশ করুন তারপর আপনার এসডি কার্ড থেকে কপি করা ফাইলটি সিলেক্ট করেন দিন এবং কনফার্ম করুন।
এবার মিনু অপশন এ ক্লিক করে সেটিং এ প্রবেশ করুন এবং Mount All Partitions সিলেক্ট করুন।
এবার Aroma File Manager বের হয়ে যান এবং আবার ফ্ল্যাশ করুন এটি।
এবার ফ্ল্যাশ করার পর আপনার ডিভাইস এ থাকা সব পার্টিশন দেখতে পারবেন।
এবার  /data/system এ যান
এখন যদি প্যাটার্ন লক বাইপাস অথবা রিমুভ করতে চান তাহলে gesture.key ফাইলটি ডিলিট করুন (ডিলিট অপশন পেতে লং প্রেস করতে হবে)
যদি পাসওয়ার্ড রিমুভ করতে চান তাহলে password.key ফাইলটি ডিলিট করুন।
ডিলিট করা হয়ে  গেলে Aroma File Manager এক্সিট করে দিন এবং রিবুট করুন ডিভাইস।
ডিভাইস অন হবে এবং সকল প্রকার কল বাইপাস হয়ে যাবে যদি ঠিকমতো ডিলিট করে থাকেন।
এই হল কার্যকরী কিছু মেথড লক বাইপাস/আনলক/রিকভার করার জন্যে। এছারাও প্লে স্টোর এ কিছু অ্যাপ পাওয়া যায় স্ক্রিন কল বাইপাস নামক। সেগুলো ইউজ করেও বাইপাস করতে পারবেন তবে ডিভাইস এ ইন্টারনেট কানেকশন থাকতে হবে অথবা পিসি থেকে ক্যাবল দিয়ে অ্যাপটি ইন্সটল করাতে হবে ডিভাইস এ এবং তারপর স্ক্রিন লক/প্যাটার্ন লক বাইপাস করতে পারবেন 

হারানো মোবাইল খুঁজে পাওয়ার উপায়

আপনি একটু সচেতন হলে আপনার দামী মোবাইল ফোনটি চুরি হওয়ার পর চোরের হাত থেকে সহজেই উদ্ধার করতে পারেন।

মোবাইল কেনার আগের ভাবনা:

মোবাইল কেনার সময় দুটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজুন।
১. পাওয়ার বাটন দশ সেকেন্ড চেপে ধরে থাকলে মোবাইল কি বন্ধ হয়ে যায়?
২. ব্যাটারি কি খোলা যায়?

যদি উল্যিখিত দু’টি প্রশ্নেরই উত্তর ‘না’ হয় তবে আপনার স্মার্টফোনটি চুরি হয়ে গেলে চোরকে হাতেনাতে আপনি নিজেই ধরতে পারবেন। তবে চোর ধরার ব্যবস্থা চুরি যাওয়ার ঘন্টাখানেকের মধ্যেই করতে হবে। দেরী হলে বুদ্ধিমান চোর ফোনটি রুটেড (মোবাইলের অপারেটিং সিস্টেমে পরিবর্তন করার ক্ষমতা লাভ করা) করে ফেলবে। আর আপনার কোনো সেটিংসই সে রাখবে না।
আর এর উত্তর “হ্যাঁ” হলে এমন মোবাইল না কেনাই ভালো। এরকম মোবাইল চোরের হস্তগত হলে সে সহজেই সেটি পাওয়ার অফ করে দিতে পারবে। ফলে তাকে বা মোবাইলকে লোকেট করতে পারবেন না।

মোবাইল কেনার পর করনীয়:

মোবাইল কেনার পর প্রথম কাজটি হলো সেটি সিকিউর করা। এর জন্য নিচের পরামর্শগুলি একে পালন করুন।

১. ২৪ ঘন্টার জন্য মোবাইলকে ইন্টারনেটের সাথে কানেক্ট রাখুন। বাসায় যারা ওয়াইফাই ব্যবহার করেন তারা বাইরে যাওয়ার সময় মোবাইল ডেটা অন রাখুন। প্রয়োজনে মোবাইল সিকিউরিটির জন্য ৩১ দিনের একটা মোবাইল ডাটাপ্যাক ডেডিকেটেড রাখুন। অন্তত যেখানে চুরি হওয়ার ভয় থাকে সেখানে ইন্টারনেট অন করে রাখুন। এটা মোবাইল সহজে খুঁজে পাওয়ার একমাত্র পথ।

২. GPS বা লোকেশন সার্ভিস অন রাখুন ২৪ ঘন্টার জন্য। গুগল ম্যাপ আপনাকে পিনপয়েন্ট লোকেট করার জন্য GPS ব্যবহার করে। এটা বিপদকালীন সময়ে আপনাকে লোকেট করতে পুলিশের কাজে লাগে।

৩. মোবাইল অনুযায়ী নিচের কাজগুলো করুন।

Samsung:
i) Settings < Security < Find My Mobile < Remote Controls এক্টিভেট করুন। Add account এ Samsung এর ওয়েবসাইটের জন্য একটা একাউন্ট খুলুন। Use wireless network চেকবক্সে টিকমার্ক দিন, Location consent এ agree করুন।
বিস্তারিত: Click This Link:P&FV=FV:18&VC=VC:Y&SM=SM:Y&modelID=SM-N9005&product=Galaxy%20Note3

Sony:
i) Settings < Security < my Xperia টাচ করুন,
Activate টাচ করুন, তারপর Accept to agree to the terms and conditions for my Xperia. টাচ করুন। এটা my Xperia ওয়েবপেজে আপনাকে একটা একাউন্ট খুলতে বলবে। একাউন্ট খুলুন বা আপনি গুগল একাউন্ট দিয়ে লগইন করতে পারেন।

HTC:
i) প্রথমে আপনাকে HTCSense.com এ একটা একাউন্ট করতে হবে। এরপর আপনার ফোনের Settingss < Location এ Phone finder চেকবক্সে টিক মার্ক দিন।
(অন্যান্য ফোনের ক্ষেত্রে আপনি গুগলে “how to find lost symphony mobile” ইত্যাদি মতো লিখে সার্চ করতে পারেন)

ii) Security Settings এ Device Administration এ ট্যাপ করুন। Android Device manager এক্টিভেট করুন।
iii) Settings এ Location Service এ ট্যাপ করুন। সবগুলো চেকবক্সে টিক মার্ক দিন।
(মোবাইল ভেদে উপরোক্ত সেটিং বিভিন্ন হতে পারে। আপনি যখন স্মার্টফোন ব্যবহার করছেন ধরে নিতে পারি আপনি নিজে নিজেই সিকিউরিটি সেটিংস করে নিতে পারবেন। প্রয়োজনে গুগলের আশ্রয় নিতে পারেন।)
উপরোক্ত ব্যবস্থার ফলে আপনার একাউন্টকৃত সাইটে গিয়ে মোবাইলটি পিনপয়েন্ট লোকেট করতে পারবেন এবং তাতে রিং করতে পারবেন। কাজগুলো ঠিক হয়েছে কিনা অন্য মোবাইল বা ল্যাপটপের মাধ্যমে রেজিস্ট্রিকৃত সাইটে লগইন করে পরীক্ষা করুন। সাইটে যদি মোবাইল নম্বর দেযার ব্যবস্থা থাকে তবে তা দিতে ভুলবেন না। এ নম্বরটি হবে আপনার অন্য সেটে ব্যবহৃত নম্বর। চুরি হওয়া সেটে সিম পরিবর্তন করলে অনেক সময় আপনি এ নম্বরে চোরের নম্বর ও লোকেশন তথ্য SMS অাকারে পেয়ে যাবেন।

কিছু কিছু সেটে উপরোক্ত সেটিংস নাও থাকতে পারেন। থাকুক আর না থাকুক পাশাপাশি আরো দু তিনটি এপের সাহায্য নিন। নির্ভর করা যায় যেসমস্ত এপে, সেগুলোর কয়েকটি হলো TrestGo Inc এর Antivirus and Mobile Security, Kaspersky inyernet security, Cerberus anti theft, Prey Anti theft ইত্যাদি। সবগুলোরই ফ্রী ভার্সনের পাশাপাশী পেইড ভার্সন আছে। তবে Prey সম্পূর্ণ ফ্রী তিনটি মোবাইলের জন্য। কিছু কিছুর পাইরেট কপিও পাওয়া যায় টরেন্ট সাইটগুলোতে। দেখে শুনে পছন্দমত ইনস্টল করে নিন। যেগুলো এককালিন পরিশোধ করে সবসময় ব্যবহার করা যায় সেগুলোই ভালো। সবগুলোতে স্ব স্ব সাইটে একটা একাউন্ট ওপেন করতে হয় যা এপটি চালু করার সময়ই হয়ে যাবে। এপটিতে আপনার পছন্দমত সেটিং করে নিন। আমার মতে কমপক্ষে দুটি এপ ব্যবহার করা উচিত। যদি কোনো কারণে একটাতে হারানো ফোনটি লোকেট করতে না পারেন তবে অন্যটাতে চেষ্টা করতে পারবেন। এপগুলো ইনস্টল করার পর তারা ঠিকমত কাজ করে কিনা অন্য মোবাইলে বা কম্পিউটার থেকে সংশ্লিষ্ট সাইটে গিয়ে আপনার একাউন্টে লগইন করে পরীক্ষা করে দেখুন।

এপে বা রেজিস্ট্রিকৃত সাইটে ব্যবহৃত পাসওয়ার্ড টুকে নিয়ে সবময়ের জন্য সাথে রাখতে ভুলবেন না।

৪. লক স্ক্রিনের জন্য পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। এতে কেউ আপনার কৃত সেটিংস পরিবর্তন করতে পারবে না।

৫. গুগল প্লে থেকে ফ্রী Smart lockscreen ইনস্টল করুন। এটি ওপেন করে Enable lockscreen অন করুন। আপ-রাইট কর্নারে সেটিং বাটনে টাচ করুন। Delay time টাচ করুন। এখানে সময় ৯০ ms এর নীচে সেট করুন। এতে করে চোর ফোন সাইলেন্ট বা পাওয়ার অফ করতে পারবে না। স্ক্রিন লক করে পাওয়ার বাটন চেপে ধরুন। দেখুন পাওয়ার মেনু আসে কিনা। যদি অনেক্ষন চেপে ধরার পরও পাওয়ার মেনু না আসে বা আসার সাথে সাথে চলে যায় তবে আপনি ঠিকভাবেই সেট করতে পেরেছেন।
এবার আপনার মোবাইলটি চোরের হাত থেকে নিরাপদ হল।

৬. মোবাইলে Dropbox ইনস্টণ করে রাখুন। ড্রপবক্সের Camera Upload একটিভ রাখুন। এতে আপনার হারানো ফোনে তোলা ফোটো Dropbox এ সেভ হয়ে থাকবে। এটা ফোনকে লোকেট করতে সাহায্য করবে। হয়তো চোরের নিজের ও তার আত্মীয় স্বজনের ছবিও আপলোড হয়ে যেতে পারে।

৭. অটো Call Recorder এপটি ইনস্টল করে নিন। এর সাথে Dropbox কে কানেক্ট করুন। যদি চোর আপনার সেটে কোনো সিম ব্যবহার করে কল করে বা রিসিভ করে তবে তার অডিও রেকর্ড ড্রপবক্সে পাবেন। এ রেকর্ডের ফাইলের নামের মধ্যে তারিখ, সময় ও কলিং নাম্বার বা রিসিভ নাম্বারটাও পাবেন। এতে চোরকে আপনি ট্র্যাক করতে পারবেন।

৮. মোবাইল ক্রয়ের কেশমেমো, ওয়ারেন্টি কার্ড, IMEI No. বক্সসহ নিরাপদে রাখুন। ফোনটি যে আপনার এগুলো তার প্রমাণ।

চুরি হওয়ার পর করনীয়:

১. কখন যদি আপনার ফোনটি খোয়া যায় তবে কাল বিলম্ব না করে ল্যাপটপ, ট্যাব বা স্মার্ট ফোনের মাধ্যমে রেজিস্ট্রিকৃত সাইটে (মোবাইল লোকেট করার জন্য যেখানে একাউন্ট খুলেছেন) গিয়ে হারানো ফোনটিকে লোকেট করুন, তাতে রিং দিন, ফোনটি লক করে দিন, প্রয়োজনে তার ব্যাকাপ নিতে কিংবা ফোনের ডেটা মুছে দিতে পারেন।
চুরি না হলেও ফোনটি যদি চিপা চাপায় কোথাও পড়ে থাকে আর আপনি তা খুঁজে পাচ্ছেন না, চিন্তার কোন কারণ নেই।

২. ফোনটি হারিয়ে যাওয়ার পর পুলিশের সাহায্য নিতে নিকটস্ত থানায় একটা জিডি করুন।

প্রথম দু’টি প্রশ্নের উত্তর ‘হ্যাঁ’ হলে অর্থাৎ পাওয়ার বাটন চেপে ধরলে যদি আপনার ফোনটি অফ হয়ে যায় বা তার ব্যাটারি খোলা যায় তবে আপনার মোবাইলটি নিরাপদ নয়। এটা চোরের হস্তগত হলে সে তা সাথে সাথেই বন্ধ করে দিতে পারবে। ফলে ফোনটি লোকেট করার কোন উপায় থাকবে না। তবুও লোকেট করার জন্য উপরে যা যা করার কথা বলেছি সবই করে রাখবেন। আপনার চোরটি বুদ্ধিমান হবেই এমনতো কথা নেই। সুতরাং ভাগ্য ভালো হলে আপনি (যদি চোর আপনার কোন সেটিং পরিবর্তন করতে না পারে) নিজেই ফোনটি লোকেট করতে পরবেন। আর যদি লোকেট করতে না পারেন তবে হারিয়ে যাওয়া ফোনটিতে নতুন সিম ডুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এন্টি-থিফ্ট লোকেটিং সার্ভিস সাইট বা এপ আপনাকে এফোনে ব্যবহৃত যে কোন সিমের নম্বর আপনাকে পাঠিয়ে দিবে। ঐ নম্বর আপনি চোর বা আপনার ফোনধারীকে ট্র্যাক করতে ব্যবহার করতে পারেন এবং পুলিশের সাহায্যে বা আপনার নিজস্ব উপায়ে আপনি তা উদ্ধার করতে পারবেন।
তাও যদি না হয় অর্থাৎ সেটে ব্যবহৃত নম্বর পেলেন না তবে পুলিশই আপনার একমাত্র উপায়। তাও যদি IMEI No. ঠিকঠাক থাকে। আজকাল এটাও চেঞ্জ করা যায়। চোরের এ ধারণা থাকলে আপনি কখনো ফোনটি পাবেন না। চোর মোবাইলটি বন্ধ করে নেয় প্রথমে। তারপর কোন দোকানে নিয়ে তাকে রুটেড করে। অবশেষে মোবাইলটির IMEI No. পরিবর্তন করে তা সম্পুর্ণরূপে নিজের করে নিতে পারে। উল্যেখ্য IMEI No. পরিবর্তন সম্পূর্ণরূপে বেআইনি। সুতরাং চুরিকরা মিবাইল কেনা খুবই বিপদজনক। কারো সাথে IMEI No. ডুপ্লিকেট হয়ে গেলে বিপদে পড়বেন। কারণ আপনার কাছেতো ক্রয় সম্পর্কিত কোন কাগজ পত্র থাকবে না।

পাওয়ার বাটন দিয়ে ফোনটি সরাসরি (পাওয়ার মেনু ছাড়া) শাটডাউন করা গেলে মোবাইল বন্ধ করা রোধ করার কোন উপায় নেই। কোনো এপ দিয়ে তা রোধ করা যায় না। কারণ এটা হার্ডওয়ার ফাংশন। তবে অনেক মোবাইল আছে যাতে পাওয়ার বাটন চেপে সরাসরি ফোনটি বন্ধ করা যায় না। যেমন আমার Samsung ফোনটি পাওয়ার বাটন চেপে ধরে রাখলে তা বন্ধ হয় না বরং রিস্টার্ট নেয়। যদি এমন মোবাইল কেনেন যার পাওয়ার বাটনে সরাসরি বন্ধের উপায় নেই তবে ব্যাটারি খোলা যায়, সেক্ষেত্রে ব্যাককভারকে সুপারগ্লু দিয়ে লাগিয়ে দিতে পারেন। এটা চোরকে কিংকর্তব্যবিমূঢ় করে দিবে। ভেঙ্গে যাওয়ার ভয়ে সে তা জোর করে খোলার চেষ্টা হতে বিরত থাকতে পারে। তখন সে কোন দোকানে নিয়ে সাহায্য চাওয়ার আগেই তাকে ধরে ফেলতে পারবেন। তবে বলা বাহুল্য যে এতে আপনার মোবাইলের ওয়ারেন্টি থাকবে না। ওয়ারেন্টি না থাকলে আপনি ডেফিনেটলি এটা করবেন।

credit:http://www.itworld.com.bd/post-id/191445

NFC নিয়ে আলোচনা

ফাইল ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে অন্যতম একটি ফাংশন হল NFC।অবশ্য এই NFC সব ডিভাইসে থাকে না। তবে যাদের আছে তাদের জন্য আমার এই লেখা।
প্রথমেই NFC ফাংশন চালু করার জন্য নিচের ধাপ অনুসরণ করুন।
১-আপনার Settings এ Wireless and Networks অপশনে যান।
২-এরপর NFC চেকবক্স মার্ক করুন।
বেস চালু হয়ে গেল আপনার NFC।
যেভাবে অন্য ডিভাইসে NFC দিয়ে কন্টাক্ট নাম্বার শেয়ার করবেন :
১- প্রথমেই যেটা করবেন সেটা হল মেক শিউর আপনার ডিভাইস এবং রিসিভিং ডিভাইস দুটোরই NFC চালু আছে এবং স্ক্রিন অ্যাকটিভ আছে।
২-এরপর আপনার কন্টাক্ট এ গিয়ে যে কন্টাক্ট গুলো শেয়ার করতে চান সেগুলো সিলেক্ট করুন।
৩- আপনার ডিভাইস এবং রিসিভিং ডিভাইস ব্যাক টু ব্যাক ধরুন যাতে প্রত্যেক ডিভাইসের NFC ডিটেকশন এলাকা একটি অপরটিকে টাচ করে। যখন ডিভাইস দুটি একটি অপরটিকে রিকগনিজ করে তখন উভয়ই ভাইব্রেট করে এবং ডাটা ট্রান্সফার শুরু হয়।
৪-ভাইব্রেট করার পর ডিভাইস দুটি তৎক্ষণাৎ আলাদা করে ফেলুন।
৫-ট্রান্সফার হয়ে গেলে রিসিভিং ডিভাইসের স্ক্রিনে ট্রান্সফার ইনফরমেশন ডিসপ্লে হয় এবং কন্টাক্ট লিস্টে সেভ হয়।
যেভাবে NFC দিয়ে অন্য ডিভাইসে মিউজিক ফাইল শেয়ার করবেন :
১- মেক শিউর আপনার ডিভাইস এবং রিসিভিং ডিভাইস দুটোরই NFC চালু আছে। Share My Tag চেকবক্সে গিয়ে Tag>My Tag আনচেকড করুন এবং উভয় ডিভাইসের স্ক্রিন অ্যাকটিভ রাখুন।
২।Media অথবা My Music থেকে Music Library ওপেন করুন।
৩- যে ট্র্যাক গুলো শেয়ার করতে চান সেগুলো সিলেক্ট করুন।
৪- ট্র্যাক প্লে করার জন্য ট্র্যাকে ট্যাপ করুন।এবার Pause করুন। ট্র্যাক Play অথবা Pause যেটাই থাকুক ট্রান্সফার হবে।
৫- আপনার ডিভাইস এবং রিসিভিং ডিভাইস ব্যাক টু ব্যাক ধরুন যাতে প্রত্যেক ডিভাইসের NFC ডিটেকশন এলাকা একটি অপরটিকে টাচ করে। যখন ডিভাইস দুটি একটি অপরটিকে রিকগনিজ করে তখন উভয়ই ভাইব্রেট করে এবং ডাটা ট্রান্সফার শুরু হয়।
৬-ভাইব্রেট করার পর ডিভাইস দুটি তৎক্ষণাৎ আলাদা করে ফেলুন।
৭-ট্রান্সফার কম্পলিট হলে শেয়ারকৃত ট্র্যাকটি তৎক্ষণাৎ রিসিভিং ডিভাইসে প্লে হবে এবং Music অ্যাপ্লিকেশনে সেভ হবে।
যেভাবে NFC দিয়ে ফটো এবং ভিডিও ফাইল শেয়ার করবেন :
১- মেক শিউর আপনার ডিভাইস এবং রিসিভিং ডিভাইস দুটোরই NFC চালু আছে। Share My Tag চেকবক্সে গিয়ে Tag>My Tag আনচেকড করুন এবং উভয় ডিভাইসের স্ক্রিন অ্যাকটিভ রাখুন।
২-গ্যালারিতে যান এবং সেই ফোল্ডারটি ওপেন করুন যেটিতে আপনার কাংখিত ফটো অথবা ভিডিও রয়েছে।
৩- ট্যাপ করুন আপনার ফটো অথবা ভিডিওতে যেটি আপনি শেয়ার করতে চান।
৪- আপনার ডিভাইস এবং রিসিভিং ডিভাইস ব্যাক টু ব্যাক ধরুন যাতে প্রত্যেক ডিভাইসের NFC ডিটেকশন এলাকা একটি অপরটিকে টাচ করে। যখন ডিভাইস দুটি একটি অপরটিকে রিকগনিজ করে তখন উভয়ই ভাইব্রেট করে এবং ডাটা ট্রান্সফার শুরু হয়।
৫-ভাইব্রেট করার পর ডিভাইস দুটি তৎক্ষণাৎ আলাদা করে ফেলুন।
৬-ট্রান্সফার হয়ে গেলে রিসিভিং ডিভাইসেরর ডিসপ্লেতে শেয়ারকৃত ফটো অথবা ভিডিও ডিসপ্লে হবে এবং একই সময়ে গ্যালারিতে সেভ হবে।
# সব ট্রান্সফারে টিপস :: ভাইব্রেট এর পর তৎক্ষণাৎ ডিভাইস আলাদা করুন।এতে নতুন কানেকশন ডাটা ট্রান্সফারে ইন্টারফেয়ার করতে পারবে না।
নোট : কপি-রাইট প্রোটেক্টেড আইটেম গুলো আপনি শেয়ার করতে নাও পারতে পারেন।


Comments

Popular Posts